• ঢাকা, বাংলাদেশ শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৩৮ অপরাহ্ন
  • [কনভাটার]
শিরোনাম:
কুমিল্লা ৪ দেবিদ্বারের রাজনীতিতে চলছে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও প্রতিযোগিতার ফাঁদ: ২০১৮ সালের নির্বাচনের ৩২ ডিসিকে বাধ্যতামূলক অবসর, প্রজ্ঞাপন জারি কুমিল্লা-৪ দেবিদ্বারের ভোটযুদ্ধ: পুরোনো পারিবারিক রাজনৈতিক প্রভাব, নতুন সমীকরণ, নাকি পরিবর্তনের জনরায় বাস্তবায়ন হবে কারবালার শিক্ষা অন্যায়ের বিরুদ্ধে সত্য ও ন্যায়ের সংগ্রামের প্রেরণা: হযরাতুল আল্লাম এম. আমিরুল ইসলাম ভূমিকম্পের খবর কি মিথ্যা? সত্যের জন্য ত্যাগই প্রকৃত বিজয়’ মহররমে চেয়ারম্যান বাবুর বার্তা ‎ নিজস্ব অর্থায়নে খানাখন্দে ভরা রাস্তা মেরামত করে প্রশংসায় ভাসছেন চেয়ারম্যান প্রার্থী আবুল বাশার ‎ অষ্টগ্রামে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক তালিকায় অনিয়ম: স্বজনপ্রীতির অভিযোগ স্বীকার এমপি ফজলুর রহমান চান্দিনার রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ: মাঠে যারা, ভবিষ্যৎ তাদের ‎তীব্র গরমের অবসান, অষ্টগ্রামে নেমেছে রহমতের বৃষ্টি

দেশে খাদ্যের সংকট হওয়ার কোন আশঙ্কা নেই

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৩৩৩ জন দেখেছে
আপডেট : রবিবার, ৪ জানুয়ারী, ২০২৬

দেশে খাদ্যের সংকট হওয়ার কোনো আশঙ্কা নেই, বর্তমান খাদ্য মজুত অত্যন্ত সন্তোষজনক। বিগত বছরের তুলনায় বর্তমান খাদ্য মজুত বেশি আছে। খাদ্য উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার আজ সচিবালয়ে তাঁর অফিসকক্ষে দেশের খাদ্য মজুত পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে এসব কথা বলেন।

উপদেষ্টা বলেন, গত ১ জানুয়ারি সরকারি খাদ্য গুদামে ২০ লাখ ২৭ হাজার ৪২০ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য মজুত ছিলো। এর মধ্যে ১৬ লাখ ৯৬ হাজার ৭৮৭ টন চাল, ২ লাখ ৩৩ হাজার ২২৪ টন গম এবং ৯ লাখ ৭ হাজার ৪০৯ টন ধান। তিনি আরও বলেন, আমাদের দেশে গমের চাহিদা বছরে ৭০ লাখ মেট্রিক টন। এর মধ্যে দেশে উৎপাদন হয় ১০ লাখ মেট্রিক টন। বাকিটা আমাদের আমদানি করতে হয়। আর চালের সিংহভাগই লোকাল, কিছু পরিমাণ আমদানি করা হয়েছে, আরও কিছু পরিমাণ আমদানি প্রক্রিয়া মধ্যে আছে।

আমদানির পরিমাণটা কতো হতে পারে সাংবাদিকদের এ প্রশ্নের উত্তরে খাদ্য উপদেষ্টা বলেন, ঠিক এ মুহূর্তে এটা বলা সম্ভব নয়, আরও কয়েক মাস পরে বলা যাবে। তবে এটা ঠিক অন্যান্য বছরের তুলনায় আমদানির পরিমাণটা এবার কম হবে আশা করছি।

খাদ্য উপদেষ্টা বলেন, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার অর্থনৈতিক ও বাণিজ্য সর্ম্পকের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক প্রভাব পড়বে না। দুই দেশের মধ্যে এখনো বাণিজ্য চলমান রয়েছে। তিনি বলেন, ভারত থেকে আমরা চাল আমদানি করি। তারাও চাল বিক্রি করেন। আমরা এটাকে রাজনৈতিক দৃষ্টিতে দেখি না। বাজারটা কিন্তু ক্রেতা ও বিক্রেতা উভয়ের প্রয়োজনে হয়। আমরা এটাকে দেখি বাজার মেকানিজম হিসেবে। যেখানে আমরা কম দাম পাই সেখান থেকে কিনি। গত বছর নতুন সরকার গঠন এবং সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে চালের দাম কিছুটা বেড়েছিলো। এ বছর সরকারের ভালো প্রস্তুতির কারণে চালের দাম সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ