• ঢাকা, বাংলাদেশ মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৩:০০ অপরাহ্ন
  • [কনভাটার]
শিরোনাম:
২০১৮ সালের নির্বাচনের ৩২ ডিসিকে বাধ্যতামূলক অবসর, প্রজ্ঞাপন জারি কুমিল্লা-৪ দেবিদ্বারের ভোটযুদ্ধ: পুরোনো পারিবারিক রাজনৈতিক প্রভাব, নতুন সমীকরণ, নাকি পরিবর্তনের জনরায় বাস্তবায়ন হবে কারবালার শিক্ষা অন্যায়ের বিরুদ্ধে সত্য ও ন্যায়ের সংগ্রামের প্রেরণা: হযরাতুল আল্লাম এম. আমিরুল ইসলাম ভূমিকম্পের খবর কি মিথ্যা? সত্যের জন্য ত্যাগই প্রকৃত বিজয়’ মহররমে চেয়ারম্যান বাবুর বার্তা ‎ নিজস্ব অর্থায়নে খানাখন্দে ভরা রাস্তা মেরামত করে প্রশংসায় ভাসছেন চেয়ারম্যান প্রার্থী আবুল বাশার ‎ অষ্টগ্রামে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক তালিকায় অনিয়ম: স্বজনপ্রীতির অভিযোগ স্বীকার এমপি ফজলুর রহমান চান্দিনার রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ: মাঠে যারা, ভবিষ্যৎ তাদের ‎তীব্র গরমের অবসান, অষ্টগ্রামে নেমেছে রহমতের বৃষ্টি 🌙 পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা 🌙

২০১৮ সালের নির্বাচনের ৩২ ডিসিকে বাধ্যতামূলক অবসর, প্রজ্ঞাপন জারি

রিপোর্টারের নাম : / ১৩ জন দেখেছে
আপডেট : সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬

ঢাকা: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা তৎকালীন ৩২ জেলা প্রশাসকের বিরুদ্ধে বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ২০১৮ সালের বিতর্কিত নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করা এসব কর্মকর্তাকে এবার বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে

সোমবার (২৭ জুলাই) এ-সংক্রান্ত পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, জনস্বার্থে সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর ৪৫ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের চাকরি থেকে বাধ্যতামূলক অবসর দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বিধি অনুযায়ী তারা অবসরজনিত সব সুবিধা পাবেন বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

জনস্বার্থে জারি করা এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।

২০১৮ সালের নির্বাচনে ছিলেন রিটার্নিং কর্মকর্তা

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় এসব কর্মকর্তা বিভিন্ন জেলার জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। নির্বাচন কমিশনের অধীনে তখন জেলার রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবেও দায়িত্ব ছিল তাদের ওপর।

ওই নির্বাচন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিক অঙ্গনে বিতর্ক রয়েছে। নির্বাচনের সময় প্রশাসনের ভূমিকা, নির্বাচন পরিচালনা এবং মাঠপর্যায়ের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড নিয়েও নানা প্রশ্ন উঠেছিল।

এরই মধ্যে প্রশাসনিক সংস্কার এবং অতীতের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড পর্যালোচনার অংশ হিসেবে ৩২ সাবেক জেলা প্রশাসককে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর সিদ্ধান্ত এলো।

আগে থেকেই ছিলেন ওএসডি

বাধ্যতামূলক অবসরের আদেশ জারির আগে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

অর্থাৎ, মাঠ প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব থেকে সরিয়ে নেওয়ার পর তারা মন্ত্রণালয়ে ওএসডি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। এবার সরকারি চাকরির সেই অধ্যায়ও আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হলো।

কেন এই সিদ্ধান্ত?

সরকারি চাকরি আইন অনুযায়ী নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে জনস্বার্থে কোনো কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর সুযোগ রয়েছে। সেই আইনি ক্ষমতাই এবার প্রয়োগ করা হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে এই ৩২ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পৃথকভাবে কী ধরনের প্রশাসনিক অভিযোগ বা মূল্যায়নের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তা প্রজ্ঞাপনে বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়নি।

ফলে ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনের সময় প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় থাকা একদল সাবেক জেলা প্রশাসকের একযোগে বাধ্যতামূলক অবসর প্রশাসনে সরকারের চলমান পরিবর্তন ও সংস্কার প্রক্রিয়ার একটি তাৎপর্যপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবেই সামনে এসেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ