• ঢাকা, বাংলাদেশ মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬, ০৫:২০ পূর্বাহ্ন
  • [কনভাটার]
শিরোনাম:
🌙 পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা 🌙 দোহার পৌরসভার কার্যকলাপে ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের ক্ষোভ ও অসন্তোষ শিক্ষার্থীদের দেশপ্রেম শেখাবে কারা? অষ্টগ্রামের অনুষ্ঠানে উঠলো বড় প্রশ্ন ‎ অষ্টগ্রামে টানা লোডশেডিংয়ে জনজীবন বিপর্যস্ত, দ্রুত সমাধানের দাবি কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রামে বিনামূল্যে ভিজিএফ চাল বিতরণ ‎“রাগ করলা?” ভিডিও ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে হাস্যরসের ঝড় ‎ অষ্টগ্রামে শোকের ছায়া: যিনি মানুষের মৃত্যু সংবাদ প্রচার করতেন, আজ তারই মৃত্যু সংবাদ প্রচার হচ্ছে ‎ কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রামে পানিতে পড়ে দেড় বছরের এক শিশুর মৃত্যু ‎ অষ্টগ্রামে বিয়ের দাবিতে প্রেমিক জাভেদের বাড়িতে প্রেমিকার অনশন কংস নদে অবৈধ বালু উত্তোলন: ভাঙছে কৃষিজমি, পরিবেশ বিপর্যয় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ

যশোর শংকরপুরে বিএনপি নেতাকে গুলি করে হত্যা

রিপোর্টারের নাম : / ১৬৭ জন দেখেছে
আপডেট : শনিবার, ৩ জানুয়ারী, ২০২৬

হুমায়ন কবির মিরাজ, বেনাপোল: যশোর শহরের শংকরপুরে বিএনপি নেতা আলমগীর হোসেনকে (৫৩) গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার (৩ ডিসেম্বর) শংকরপুর ইসহাক সড়কে।

নিহত আলমগীর হোসেন শংকরপুর গোলপাতা মসজিদ এলাকার মৃত ইন্তাজ আলীর ছেলে। তিনি এলাকায় জমি কেনা-বেচার ব্যবসা করেন। এলাকায় আলমগীর হোসেন সজ্জন ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত।

নিহতের বড়ভাই জাহাঙ্গীর হোসেন জানিয়েছেন, শনিবার সন্ধ্যার পর আলমগীর একটি মোটরসাইকেলে চড়ে বটতলা থেকে বাড়ির দিকে ফিরছিলেন। তিনি হুদা মেমোরিয়াল একাডেমির সামনে পৌঁছালে কে বা কারা তাকে গুলি করে। সংবাদ পেয়ে তিনি সদর হাসপাতালে এসে তার ভাইয়ের মরদেহ দেখতে পান।

বিএনপির সাত নম্বর ওয়ার্ড কমিটির সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন জানিয়েছেন, নিহত আলমগীর হোসেন সাত নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক এবং নগর বিএনপির সাবেক সদস্য।

হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডাক্তার বিচিত্র মল্লিক জানিয়েছেন, নিহতের মাথার দুপাশে দুটি গুলির চিহ্ন আছে। হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়।

কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (অপারেশনস) মমিনুল হক জানিয়েছেন, তারা জেনেছেন শংকরপুর ইসহক সড়কে বিএনপি নেতাকে গুলি করা হয়েছে। তার কপালে ও মাথায় দুটি গুলি লেগেছে।

পুলিশ ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রকৃত ঘটনা জানার এবং আসামি আটকের চেষ্টা করছে।

এলাকাবাসী জানিয়েছেন, আলমগীর হোসেন অনেক আগে থেকে বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত। তিনি পেশাগত জীবনে এলাকায় জমি কেনা-বেচায় জড়িত। ছোটভাই কামরুজ্জামান তার এই ব্যবসায়ের পার্টনার। তিনি এলাকায় খুব সজ্জন মানুষ হিসেবে পরিচিত। বিশেষ করে গরিব-দুঃখি মানুষ তার কাছ থেকে অনেক উপকৃত হয়েছেন।

আলমগীর হোসেনের মোঝোমামা হাফিজুর রহমান মাস্টার এবং নোয়ামামা তৈয়বুর রহমান জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতির সাথে জড়িত। তার আর এক মামা প্রয়াত আকবার হোসেন ওরফে আকবার ডাক্তারও ছিলেন জামায়াতের স্থানীয় নেতা। তার বড়ভাই জাহাঙ্গীর হোসেন সাত নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নেতা।

আলমগীর হোসেনের মামাতোভাই শাহেদ হোসেন নয়ন ছিলেন যশোর পৌরসভার সাত নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, ব্যক্তিজীবনে আলমগীর হোসেনের সাথে কারো কোনো বিরোধের কথা শোনা যায়নি। তিনি দিনের অধিকাংশ সময় ব্যবসায়ের কাজে যুক্ত থাকতেন। এরমাঝে রাজনীনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা করতেন তিনি। ফলে, কে বা কারা তাকে হত্যা করেছে তা কেউ অনুমান করতে পারছেন না।

নিহত আলমগীর হোসেনের এক ছেলে ও এক মেয়ে। ছেলে বেশ কয়েক বছর আগে মারা গেছেন। যশোর জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক, সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও বিএনপিনেতা অ্যাডভোকেট জুলফিকার আলী জুলু তার মেয়ের শ্বশুর।

এদিকে, আলমগীর হোসেনের হত্যার খবরে পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ঘটনা শোনার সাথে সাথে এলাকা থেকে সাধারণ মানুষ হাসপাতালে ছুটে যান


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ